জাকির সিকদার ,ঢাকা : মানিকগঞ্জের রুবেল মিয়া। জন্ম থেকে তার দুটি হাত নেই। কিন্তু প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর অদম্য প্রচেষ্টায় পা দিয়ে লিখেই চালিয়ে যাচ্ছে লেখাপড়া। এবার সে দিচ্ছে জেএসসি পরীক্ষা। রুবেল সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লি গ্রামের রিকশাচালক হবি মিয়ার ছেলে। সে তিল্লি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর জেএসসি পরীক্ষা অংশ নিয়েছে।
রুবেলের বাবা জানান, জন্মের পর থেকেই রুবেল শারীরিক প্রতিবন্ধী। ছোটবেলাতেই পড়াশোনায় তার ঝোঁক দেখা যায়। অভাবের সংসারে রুবেলকে তিনি ঠিকমতো বই, খাতা কিনে দিতে পারেননি। সহপাঠীরাও রুবেলকে অনেক সহযোগিতা করেছে। তবে তার ইচ্ছাশক্তির কারণেই সে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে। তিনি সমাজের বিত্তবানদের কাছে রুবেলের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। রুবেল জানায়, শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই সহপাঠী রাজিব, গোবিন্দ, সাহাজু, শিউলি তাকে অনেক সহযোগিতা করেছে। জামা পরানো, চুল আঁচড়ানো, টিফিন খাওয়ানো- সবই ওরা করে দিত। এছাড়াও তারা টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে তাকে পড়ালেখার কিছু খরচ দিত। ওদের ঋণ সে জীবনেও শেষ করতে পারবে না। তাই শিক্ষক হয়ে তার মতো গরিব শিক্ষার্থীদের বিনে পয়সার লেখাপড়া করাতে চায়। এজন্য সে সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম জানান, তিল্লি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পা দিয়ে লিখে রুবেল পিএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৩৩ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। সে পড়াশোনায় খুব মনোযোগী। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে রুবেল একদিন প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে।
সাম্প্রতিক খবর:

কুয়েতে প্রবীণ প্রবাসী হারুন মিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল

যে অপরাধের উত্তর নেই: মক্কার ঘটনায় স্তব্ধ প্রবাসী সমাজ

মৌলভীবাজারে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আবেগঘন চিঠি: শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

জেদ্দায় প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সতর্কবার্তা

কুয়েতের সালমি: মরুভূমিতে কোটি টাকার 'গাড়ির বাজার

ইউরোপের চাকরি ও ভিসার প্রলোভন,গ্রেফতার কুয়েতের এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?












